সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

যে ভাবনাটি মরণোত্তর সেটা এখনই জীবদ্দশায় ভাবতে হবে কেন?

যে ভাবনাটি মরণোত্তর সেটা এখনই জীবদ্দশায় ভাবতে হবে কেন? এমন একটা প্রশ্ন মনে জাগতেই পারে। ভাবনাটি যদি সংকটের চিত্র হয় তবেই না সেটা একটি ভাবনা হয়। এছাড়া এসব ভাবনাগুলি যখন তখন আমাদের অস্তিত্বের লড়াইয়ের সাথে জড়িত থাকতে পারে এমনই যদি হবে তবে সেটাও একটি ভাব কিন্তু তবুও কি একেবারেই মুক্ত ভাব? নাহ্ মনে হয় না।মুক্ত ভাব অনেকের চোখে সুবিধার মনে হবে। ছেলে, বুড়ো বা কোন নাবালক নিয়েই তো কথা হবে তাই না।  কিন্তু ভাবজগতের বিষয় এসব তো জীবদ্দশাতেই মনোজগতে ঘটে থাকে। মরণোত্তর বিষয় নিয়ে ভাবনা গুলির জন্য কিছুটা অন্য রকমের উপকরণ উপাদান প্রয়োজনীয় হবে বলে মনের মধ্যে তাই একটু হলেও তো আশঙ্কা জাগে। এই আশঙ্কা কি, তার নাম গুলি কি কি হতে পারে? কারণ নামটাই শুধু অর্থবহ হলে কি হবে নামমাত্র নাম গুলি যে কোনটাই পার্থিব নয়, এগুলো মরনোত্তর নাম বলে কথা। আর নামমাত্র ধারনায় বসানো অপার্থীব সেসব কামকাজের অর্থের যোগান, সেটাই বা কোত্থেকে আসে।কাজে কর্মে সেগুলিতো অপার্থিব তাদের নাম কি প্রকারে হবে। নিশ্চয়ই আমাদের ধারে কাছের যেসব ব্যাবহারিক বস্তুবাদী থাকে কিংবা অর্থনৈতিক ধারনার লেশমাত্র ধারনা, কিছুমাত্র উদাহরন বা তেমন কোন...

ব্রেইন, নিউরন স্মৃতি এবং ক্যালকুলেটিভ মানসিকতার মধ্যে সংযোগগুলি

  ব্রেইন, নিউরন স্মৃতি এবং ক্যালকুলেটিভ মানসিকতার মধ্যে সংযোগগুলি সাধারণভাবে মানব জীবনের ক্ষেত্রে স্থিতিশীল একটি পরিস্থিতি তৈরি করবেই।  কিন্তু ব্রেইন, নিউরন, নিউরনের স্মৃতি এবং মানুষের ক্যালকুলেটিভ মানসিকতার মধ্যে সংযোগগুলির মধ্যে অস্থির অবস্থায় বা মানসিক ভারসাম্যহীন অস্থিরতা দেখা দিলেই মস্তিস্কে একটি কম্পমান frequency তৈরি হয়। তখন এই কম্পন বা ফ্রিকোয়েন্সির রাসায়নিক প্রকৃতি কিরকম হতে পারে? সেটা কি মৃত্যুর কাছাকাছি কিছু? নাকি জীবনের কাছাকাছি কোন রাসায়নিক অবস্থান? এর উত্তরটি খুবই জটিল! অর্থাৎ আজ পর্যন্ত মানুষ নিজেরাই জানেনা এই উত্তরটা কি হবে না হবে! কিন্তু জীবন ও মৃত্যুর সন্ধিক্ষণেও একটি রাসায়নিক অবস্থান তো থাকে। সেই বিশেষ অবস্থানটিতে এই কম্পমান রাসায়নিক পরিস্থিতির ফলাফল কি হতে পারে আমরা কি তা জানি? এখন সেটা অনেকেই জানেন ! যেহেতু এটা স্থিতিশীল মন কিছুতেই নয় তাই স্থবির মানসিকতাও তৈরী হচ্ছে না এবং বেশ কম্পমান ফ্রিকোয়েন্সি থাকছেই। এটাই তৈরী রসায়ন। তাই এর ফলাফল হলো প্রস্থান অথবা দ্রুত স্থান ত্যাগ করা। কিংবা শান্ত ভাবে ভালো থাকার চেষ্টা করলে, তদবির করে হলেও যদি অন্য কোন গন্...