যে ভাবনাটি মরণোত্তর সেটা এখনই জীবদ্দশায় ভাবতে হবে কেন? এমন একটা প্রশ্ন মনে জাগতেই পারে। ভাবনাটি যদি সংকটের চিত্র হয় তবেই না সেটা একটি ভাবনা হয়। এছাড়া এসব ভাবনাগুলি যখন তখন আমাদের অস্তিত্বের লড়াইয়ের সাথে জড়িত থাকতে পারে এমনই যদি হবে তবে সেটাও একটি ভাব কিন্তু তবুও কি একেবারেই মুক্ত ভাব? নাহ্ মনে হয় না।মুক্ত ভাব অনেকের চোখে সুবিধার মনে হবে। ছেলে, বুড়ো বা কোন নাবালক নিয়েই তো কথা হবে তাই না। কিন্তু ভাবজগতের বিষয় এসব তো জীবদ্দশাতেই মনোজগতে ঘটে থাকে। মরণোত্তর বিষয় নিয়ে ভাবনা গুলির জন্য কিছুটা অন্য রকমের উপকরণ উপাদান প্রয়োজনীয় হবে বলে মনের মধ্যে তাই একটু হলেও তো আশঙ্কা জাগে। এই আশঙ্কা কি, তার নাম গুলি কি কি হতে পারে? কারণ নামটাই শুধু অর্থবহ হলে কি হবে নামমাত্র নাম গুলি যে কোনটাই পার্থিব নয়, এগুলো মরনোত্তর নাম বলে কথা। আর নামমাত্র ধারনায় বসানো অপার্থীব সেসব কামকাজের অর্থের যোগান, সেটাই বা কোত্থেকে আসে।কাজে কর্মে সেগুলিতো অপার্থিব তাদের নাম কি প্রকারে হবে। নিশ্চয়ই আমাদের ধারে কাছের যেসব ব্যাবহারিক বস্তুবাদী থাকে কিংবা অর্থনৈতিক ধারনার লেশমাত্র ধারনা, কিছুমাত্র উদাহরন বা তেমন কোন...