ধর্মীয় মূল্যবোধ অনেকটা গরু চরানোর মত হয়ে গেছে।শুধুমাত্র মূল্যবোধ প্রমোশন ঠিক কখন থেকে শুরু হয়েছিলো জানা যায় না ধর্মীয় মূল্যবোধ অনেকটা গরু চরানোর মত হয়ে গেছে।শুধুমাত্র মূল্যবোধ প্রমোশন ঠিক কখন থেকে শুরু হয়েছিলো জানা যায় না এবং আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি যে মূল্যবোধ হচ্ছে একটি গ্রহন বর্জনের বিষয় এবং সঠিক মূল্যায়ন না পেলে পরে মান অভিমানের টানাপড়েনে খুবই ভঙ্গুর। তার চেয়েও উত্তম হল প্রশিক্ষন দেয়া। কেননা এটা উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের পক্ষে শ্রেষ্ঠ পদ্ধতিগুলির অন্যতম একটি ব্যাবস্থা ও এটাই বিশ্লেষন উত্তর সঠিক দিকনির্দেশনার একটি সুনিশ্চয়তা দিতে সক্ষম বলে উন্নততর। এবং সবশেষে বলতে হয় যে আমাদের সমাজ এখন শিক্ষাকে অতিক্রম করে যেতে পারে নানা ধরনের অনৈতীকতা অবলম্বনে।তবুও এটা সত্য যে স্বাধীন ভাবে শিক্ষা গ্রহনের অধিকার প্রমোশান করা হচ্ছে উচ্চতর মানববিদ্যা গবেষণার বিষয়। দুঃখিত আমি কিছু মিন করিনি। তবে ধর্মীয় মূল্যবোধ তথা শিক্ষার আধুনিকায়ন দরকার মনে করি বলে -''যাস্ট হাইলাইট'' করেছি।মূল্যবোধের প্রশ্ন উঠলেই আমি নানা ধরনে অসহিষ্ণুতা ও অস্বস্তিতে ভুগি কেননা বাস্তব জীবনে এর সামান্যতম কার্যকরিত...
যে ভাবনাটি মরণোত্তর সেটা এখনই জীবদ্দশায় ভাবতে হবে কেন? এমন একটা প্রশ্ন মনে জাগতেই পারে। ভাবনাটি যদি সংকটের চিত্র হয় তবেই না সেটা একটি ভাবনা হয়। এছাড়া এসব ভাবনাগুলি যখন তখন আমাদের অস্তিত্বের লড়াইয়ের সাথে জড়িত থাকতে পারে এমনই যদি হবে তবে সেটাও একটি ভাব কিন্তু তবুও কি একেবারেই মুক্ত ভাব? নাহ্ মনে হয় না।মুক্ত ভাব অনেকের চোখে সুবিধার মনে হবে। ছেলে, বুড়ো বা কোন নাবালক নিয়েই তো কথা হবে তাই না। কিন্তু ভাবজগতের বিষয় এসব তো জীবদ্দশাতেই মনোজগতে ঘটে থাকে। মরণোত্তর বিষয় নিয়ে ভাবনা গুলির জন্য কিছুটা অন্য রকমের উপকরণ উপাদান প্রয়োজনীয় হবে বলে মনের মধ্যে তাই একটু হলেও তো আশঙ্কা জাগে। এই আশঙ্কা কি, তার নাম গুলি কি কি হতে পারে? কারণ নামটাই শুধু অর্থবহ হলে কি হবে নামমাত্র নাম গুলি যে কোনটাই পার্থিব নয়, এগুলো মরনোত্তর নাম বলে কথা। আর নামমাত্র ধারনায় বসানো অপার্থীব সেসব কামকাজের অর্থের যোগান, সেটাই বা কোত্থেকে আসে।কাজে কর্মে সেগুলিতো অপার্থিব তাদের নাম কি প্রকারে হবে। নিশ্চয়ই আমাদের ধারে কাছের যেসব ব্যাবহারিক বস্তুবাদী থাকে কিংবা অর্থনৈতিক ধারনার লেশমাত্র ধারনা, কিছুমাত্র উদাহরন বা তেমন কোন...