মূল্যবোধ প্রমোশন ঠিক কখন থেকে শুরু হয়েছিলো জানা যায় না-- ধর্মীয় মূল্যবোধ অনেকটা গরু চরানোর মত হয়ে গেছে কারন মূল্যবোধ হচ্ছে একটি গ্রহন বর্জনের বিষয়
ধর্মীয় মূল্যবোধ অনেকটা গরু চরানোর মত হয়ে গেছে।শুধুমাত্র মূল্যবোধ প্রমোশন ঠিক কখন থেকে শুরু হয়েছিলো জানা যায় না
ধর্মীয় মূল্যবোধ অনেকটা গরু চরানোর মত হয়ে গেছে।শুধুমাত্র মূল্যবোধ প্রমোশন ঠিক কখন থেকে শুরু হয়েছিলো জানা যায় না এবং আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি যে মূল্যবোধ হচ্ছে একটি গ্রহন বর্জনের বিষয় এবং সঠিক মূল্যায়ন না পেলে পরে মান অভিমানের টানাপড়েনে খুবই ভঙ্গুর। তার চেয়েও উত্তম হল প্রশিক্ষন দেয়া। কেননা এটা উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের পক্ষে শ্রেষ্ঠ পদ্ধতিগুলির অন্যতম একটি ব্যাবস্থা ও এটাই বিশ্লেষন উত্তর সঠিক দিকনির্দেশনার একটি সুনিশ্চয়তা দিতে সক্ষম বলে উন্নততর। এবং সবশেষে বলতে হয় যে আমাদের সমাজ এখন শিক্ষাকে অতিক্রম করে যেতে পারে নানা ধরনের অনৈতীকতা অবলম্বনে।তবুও এটা সত্য যে স্বাধীন ভাবে শিক্ষা গ্রহনের অধিকার প্রমোশান করা হচ্ছে উচ্চতর মানববিদ্যা গবেষণার বিষয়।
দুঃখিত আমি কিছু মিন করিনি। তবে ধর্মীয় মূল্যবোধ তথা শিক্ষার আধুনিকায়ন দরকার মনে করি বলে -''যাস্ট হাইলাইট'' করেছি।মূল্যবোধের প্রশ্ন উঠলেই আমি নানা ধরনে অসহিষ্ণুতা ও অস্বস্তিতে ভুগি কেননা বাস্তব জীবনে এর সামান্যতম কার্যকরিতা নাই। অন্যের মূল্যবোধকে এখনো ধর্মীয় বিশ্বাস প্রভাবিত করে চলেছে বটে তবে তা একদমই নেগেটিভ উপায়ে। অর্থাৎ করনীয় কার্যক্ষেত্রে গিয়ে এটা শুধু আমিত্বকে খাটো করতে সক্ষম। মূল্যবোধের জায়গায়টা শিক্ষা যতটুকু দখল করেছে সেখানে ভাষাভিত্তিক দূর্নীতির এক মচ্ছব চলছে যেখানে মূল্য হস্তান্তর প্রকৃয়াকে বেশী প্রাধান্য দিতে একপ্রকার বাধ্যই হচ্ছে সরল মানুষরা। তাই বানিজ্যিক দৃস্টিভঙ্গির বাইরে এসে ভাব ভালোবাসার মূল্যবোধের ধারাবাহিক আয়োজন গুলিও অতীতের মত সেরকম আর নেই। মরে গেছে।
এটা শক্তি আর শক্তির ভারসাম্যহীনতায় কিছু পশুর অধুনা ভাষা। এরা অনেককিছুই প্রমান করতে চয় অথচ ফ্রন্টিয়ার ছড়া কিছুই এরা প্রমান করতে পারে না। ফ্রন্টিয়ারটা কোথায়? কেন পশুগুলিকে হীনমন্যতায় ভুগতে হবে সুইসইড করলেই তো ল্যাঠা মিটে যায়।যেহেতু মানুষকে এইসব নাপাকী ভাষার বোঝা বইতে হচ্ছে তাই বহুদিন ধরেই আল্লা-খোদা এটা হচ্ছে ভাষার লড়াই।অর্থহীন ভাষা আর অবসন্ন বিজ্ঞনের বিকৃতির ত'রে তৈরী করা এবং প্রচলিত অসমতা। "জৈবীক ভাষা''কে খাটো করতে করতে ঈশ্বরের ধুনীকতা নিয়ে নাড়াচাড়া করার দানবীয় ছোটলোকি কতটা কাল ধরে চলতে পারে-- এটা সময়ের প্রশ্ন। ভয়ঙ্কর এবং উভয়সঙ্কট। যদিও দাবীদাওয়া তৈরী হয়নি এখনও।এখনও এতই নিকৃস্ট আর উচ্ছিস্ট খেকো প্রানী রয়েছে। তাই আমি মনে করি এরা নিজেরা গিয়ে দেখে আসুক আল্লার বউ কয়টা। একবার মানুষের পাল্লায় পড়লে তখনতো তাদের ভগবান বিশ্বাসও রাখা যাবেনা তাইনা। বিশ্বাস এটা কোন দেখার বিষয় না; এটা হচ্ছে অন্তরের বিষয়। আলো তো আর কম জ্বালায়ইলো না।
যে বিজ্ঞান কোয়ান্টাম ফিজিক্সের কথা বলে তাদের লজ্জা হয় না এসব কাজ করতে। তাদেরকে আগে এটা বলতে হবে তবে মাথা মোটা নিউটনীয় আগের প্রাচীন বিজ্ঞান গুলি তাহলে কিসের বিজ্ঞান ছিলো? কোথায় তাদের প্রকৃত অবস্থান। শুধু বিদ্যাপন্ডিতের মত শয়তান বানানোর স্কুলে গর্ভিত শিক্ষখ হলেই হবে? নাকি শুধুই শয়তানী অ-বিজ্ঞ হয়ে গিয়ে এখন কোয়ান্টামে টামি হয়ে গরুর লেজে বসে আছে। মানা না মানা এটাই আসল মনুষ্যত্বের জায়গা।সহনশীলতায়।
মুখস্তবিদ্যা হচ্ছে মানুষের একটি বিরাট প্রাকৃতিক অসাম্যতা এবং অতঃপর এরই অবৈধ ব্যাবহার এইসব ভাষাভিত্তিক দূষনের সুযোগে এযুগে একটি ভারসাম্যহীন সমতলে এসে কার্যকর হয়েছে। এটা হচ্ছে সব ধরনের শয়তান বানানোর একটি প্রাচীন বিদ্যা। তাই স্রস্টা আছেই যে এর কোন বৈজ্ঞানীক প্রমান লাগে না।বিজ্ঞানটাই হচ্ছে বড় সমস্যা-- নানান ধরনের অপব্যাবহারের কারনে তাইনা।স্রস্টার প্রত্যক্ষন বাদে কোন বিকল্প থাকলে সেটা অবশ্য শোনা যাবে।এবং এটাও হয়ে উঠতে পারে বুদ্ধীবৃত্তিক মানবীক ও আইনসিদ্ধ আলোচনা।
কি কি লাভ করা সম্ভব সেইধরনের কৃতদাস মানষিকার দ্বারা বলবেন? যাদের কারনে কিছু মানা বা না মানা নিয়ে কর্মকান্ডগুলি চলবে এবং এর দৌরাত্ব্য বাড়লে কি ধরনের মানষিক উপশম। এরা তো গোলাম তৈরী করেছে তাদেরই অনুকরনে।মাথায় ভীষন বোঁঝা নিয়ে কেন জ্ঞানীরা পুঁথীগত ভাষায় অবতারনা করবেন ঐসব উচ্ছিস্ট তথা সেইরকম উদ্দেশ্য মাথায় রেখে। আমি যদি একজন মানারই দলের ব্যাক্তি হই তবে অপবিজ্ঞানের নামে মানবো কেন? নিজের নিয়মটা তাহলে কোথায় যাবে! চালাকী করতে যাবে? কোয়ান্টাম ফিজিক্স দিয়েই এখন তারা প্রমানটা দেখিয়ে দিতে পারেনা। "তিনি হলেন আলফা।তিনিই শুরু তিনিই শেষ। "
মানুষের মনটা তো মেশিনের ছাঁচে তৈরী কোন বেলজিয়ান প্লাস না...। তবে কিছু মানুষ উদাহরন হতে পছন্দ করে কেউ কেউ ইতিহাসের অংশ হয়ে সেইরকমই সাধমত চলছে ফিরছে এব খাচ্ছে; তারাও যে উদাহরন দিতে চায়।এগিয়ে যায় আরো কয়েক কদম...। যদিও এতদিনে তাদের বুঝতে পারা উচিৎ ছিলো তাতে কোন লাভ নেই আর।দিন যায়... তাই বোধহয় মুসলমানই বাই বাই হয়ে দূরে যায় এবং কেটে যায় তাদের ধর্ম। রয়ে যায় শুধু কর্ম। সো ঠিক করে বলতে গেলে বলা লাগে-- পাস্ড ইজ পাস্ট।
আমার ধারনা আল্লাহর ইমপার্সোনেট একটি অবস্থান আছে।এই অবস্থানটা বাইরের বিশ্বে যে এতসব হাউকাউ এর জন্ম দিচ্ছে কারন প্রকৃতিগত কারনটা হল তদের জোটবদ্ধতা বা ম্যাগনেটিজম।...দূর্গন্ধ মোছার চেস্টা হয়েছে যে তা নয়-- আসলে নতজানু কে ই বা হতে চায় বলুন।...শেম। যেখানে আর কোন ফিলসফি অবশিস্ট থাকলো না তাহলে।.... তবে একটি কথা। ভাষাটা তো থাকতেই হয় তাইনা? সেটা আল্লাই হোক কিংবা কোন কল্লা। আমার স্রস্টা বিশ্বাসের সাথে সেই ভাষাটা খাপ খাচ্ছে; দারুন ভাবে মিলেও যাচ্ছে কারন আমি ৩৬০ বুদ্ধীমান। কোন অবশ বিকলাঙ্গ নই এখনও।... কিন্তু বয়সের দরুন যদি তেমন হইও কখনও তবে এই সুললিত ভাষাই আমার একমাত্র অবলম্বন হতে যাচ্ছে ভবিষৎতে; এটাই অনুমেয় হয়।আমি আল্লার আলোচনাও করতে চাইনা বুঝতেও চাইনা। চরিদিকেই এখন দেখি অসংখ্য বালপাকনা। এরাই পঁচাচ্ছে ধর্ম। গর্ব করে চাইনীজ প্রযুক্তির ধ্বজা ধরে আছে তারা যেন কলকব্জাগুলিও সব প্রযুক্তির কাছে বর্গা দেয়া হয়েছে আরকি, এরাই চিন্তা না করেই এক মূহুর্তে বাইপাস করে দেয় ধর্মকে।.... কি মূর্খামী!!.. লাগে শুধু একটি বেলচা অথবা ক্রিমেশনের মেশিন। ভবিষৎতে এটাও অটোমেটন হবে কিনা তা কি বলা যায়?
জ্বি সত্যটা আপনি হলপ করে বলতে পারবেন বটে।.... ঈশ্বরের এখন আর দরকার নাই। তাঁর ঘুমটা নিয়ে তিনিই থাকুন আরামে। সেখানে আমাদের গিয়ে কাজ নেই। ...মানুষ তো আসলে অকৃতজ্ঞ রাসায়নিক প্রানী।রয়েছে অকৃতজ্ঞতা সীমাহিন রকমের পরিচিতিও। এইজন্য বিজ্ঞানকেই অভিশপ্ত হতে হয়। তবে এটুকুই বিজ্ঞানের অর্জন যে ভাগ্য নামক বিষয়টাকে বিজ্ঞান এখনও বুদ্ধীর দৌড়ে ধরিয়ে দিতে পারে ঐসব আবাল তাবাল লোকদেরকে। ভাগ্য কেউ না মানলে সেই গাধাটা তবে তার পরিনতিও বুঝবে না।তা সেই হতভাগা যতই চেস্টা সাধনা করে যাকনা কেন। এদেরকে মানুষ বলতে আতঙ্ক হয়।
আপনি কি সময় বিশ্বাস করেন? সময় সুযোগ নেন কেন? ল্যাংড়া ব্যাক্তি জন্মান্ধ ব্যাক্তি হতে চাইবেন না কেন? জ্ঞানের বড়াই করবেন কেন? সম্ভবতঃ এসমস্তই হচ্ছে ভাগ্যের অংশ। কারো সুন্দর বেটি আছে কারো নাই; সেটা তাহলে কার ভাগ্য বা কিরূপে বিভক্ত হয়? কেন তা সকলেরই প্রাপ্তিতে সমাধান হবেনা বলুনতো। যে ব্যাক্তি কম চেস্টা করে তাকেই বরং দেখিয়ে দিন না যে তার ভাগ্য কতটা ভালো।
সত্যটাই বলুন অথবা চুপচাপ ভাগ্যের প্রত্যাশায় থাকুন।এজন্য অনেক ধন্যবাদ প্রাপ্তি আছে সত্যটা বলতে পারার জন্য। এটাও ভেবে দেখবেন একবার একটু প্লীজ।যে কিনা সময়ের মাইর খুব ভয়ঙ্কর, এটা মানুষের মাইর না--সময়ের। কিন্তু সৃস্টিকর্তার ভাবনা তবুও আপনার আমার সবরই ক্রিয়েটিভিটির অংশবিশেষ হয়ে থাকবে চিরকাল। ভাবনকে নাড়া দিবেই। সেটা মানতে না পারা আসলে বিশাল সামাজিক ব্যার্থতা এবং মনগড়া বিকৃতির একটা অংশ হতে পারে। যদি কেউ এটাই এখন মনে করে থাকে যে আদীকালের মানুষের মনগড়া ধারনাই হচ্ছে আসলে স্রস্টার ধারনার সৃস্টি যেটা এখন ব্যাবসায়িক কারনে অনেক ফিকে হয়ে গেছে তাই এটা রং চং ধরানো ধারনা ও এযুগে অপ্রয়োজনীয়। আসলে তাদের মনে নিজেদের সৃস্টিশীলতায় অপব্যাবহারে সংশয় আছে তাই মডার্নিজম নিয়ে ভাবতে তাদেরই ভয়ভীতি বেশী রয়েছে বলে এই ডাইভার্সান তারা ইচ্ছাকৃত ক্রিয়েট করে নিয়েছে; শক্তি পরীক্ষায় নেমে যায় এবং ধর্মকেই টেনে এনে অযাচিত ব্যাবহার করে থাকে তারা। ধর্মকে শক্তি পরীক্ষায় যাচাই করা যে উদারতা নয় বরং বিশ্ব বাস্তবতারই কিছু কিছু উদাহরন সেসব তারা নিজেরাই বোঝেন বলে মনে হয়না তাই সহজ ভাবে ধর্মকে ছুঁড়ে ফেলে দেন আস্তাকুঁড়ে আধুনীক যুগের জন্য প্রযোজ্য হয় না বলে। কিন্তু এনারা এটা মানে না তবু মানুষকে এসব বলে বেড়ান এবং প্রতারিত করেন। আমরা এখন শুধু অব্যার্থ উত্তরটি পেতে নীরব অবস্থান নিয়েছি এবং তাঁদের বিজয়ী অবস্থানটি দেখার অপেক্ষায় আছি।
সম্ভবতঃ এনাদের সফিস্টিকেশনের মধ্যে আগুনের ফুলকী এবং তীব্র ধ্বসাত্মক ক্ষমতাকে একজন স্রস্টার হেলাফেলা বা শুধুই দায়বোধ এড়ানোর ফীলসফি ধারনা থেকে উদ্ভুত ডিসকোর্স অথবা বিরাজমান মনস্তত্ত্ব পর্যবেক্ষন। তাই তাদের ভাষায় ও বর্ননায় এটাই কার্যকর আছে বর্তমানে কিন্তু সেটা অনেক বেশী মাত্রায়। এটাতো মূর্খতারই নামন্তর।ইব্রাহীমকেও প্রকারান্তরে ভূয়া বানানো।
ভালোভাবে ইতিহাস পর্যবেক্ষন করতে পারলেই বুঝতে পারা যেত যে কোন জাতীই অন্য জাতীর উপর নিরঙ্কূশ শ্রেষ্ঠত্ব পেতে পারে না। ইতিহাসটা যতটুকু আলোচনার অংশ হয়ে গেছে তার মধ্যেও অনেক সর্ষের ভূত থাকে তাদেরকে কি আর বলবেন। মহারথী হতে গিয়ে শুধু শুধুই অঘোরে মারা গেছে অনেক নিরীহ মানব সন্তান। এসবই আমরা জানি।ধর্মের মধ্যেকার নৈতীকতা হল সার্বজনীন একটি ধারনা যার কোন সেটেলমেন্ট আসলেই পৃথিবীতে নাই। তাই বিশ্বাস করি পৃথিবী সৃস্টির কোন রহস্য নাই, এর উদ্যেশ্যও না থাকলে পরে,তখন পাপও নাই। এসব শুধুই একটি পরিমাপক যেটা মানুষ নিজেরাই মস্তিষ্কে সহজে ধারনা করে নিতে পারতো। কিন্তু এখন পৃথিবীটা হয়ে গেছে অন্যরকম।মানুষের কনশাস বা একটি বিশ্লষনী অন্তর থাকার কারনেই কিনা জানিনা এখনতো হঠাৎ হঠাৎ নিরঙ্কূশ শ্রেস্ঠত্বের দাবীদারও আছে; তৈয়ার হচ্ছে এবং জাতীয়তার প্রকাশের মধ্য দিয়ে এসবের অনেক অনেক বিকাশও লাভ করেছে অতীতে দেখেছি। যেখানে বৈশ্বীক পরিমন্ডলে একজন ব্যাক্তির অর্জনকে যুক্তিসঙ্গত কারনেই অস্বীকার করা তো হতই অধিকন্তু নিগৃহীত হওয়ার সামাজিক কিছু প্রচলন রয়েছে সেখানে বলার কিছুই বাকি থাকে না এবং ভবিষৎতে এটাই হয়তো একদিন ক্রিমিনলজীর অন্তর্ভুক্ত হতে যেতে পারে মানুষের প্রয়োজনের নীরিখে। বড় ধর্মগুলো পর্যালোচনা করলে বুঝা যায় যে মানব সমাজে ক্রিমিনালদের বিচার একটি কঠোর নিয়মতান্ত্রকতাকে অনুসরন করে থাকে কোন ধর্মকে নয়।
ভ্রান্তি চার প্রকার। চার প্রকার ভ্রান্তি কি কি?
নিপীড়ন - কেন্দ্রীয় বিষয়বস্তু হল দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য অর্জনে ষড়যন্ত্র করা, আক্রমণ করা, হয়রানি করা, বাধা দেওয়া।
সোমাটিক - এর মধ্যে শারীরিক ক্রিয়াকলাপ এবং সংবেদন জড়িত।
মিশ্র - কোনও একক বিষয়বস্তু প্রচলিত নেই।
চিন্তার সম্প্রচার - ভ্রান্তি যে একজনের চিন্তাভাবনা অন্যদের দ্বারা প্রক্ষেপিত এবং অনুভূত হয়।
আমরা কোন প্রকার ভ্রান্তির মধ্যে আছি।
অভিজ্ঞ সবচেয়ে সাধারণ ধরনের বিভ্রান্তি কি?
নিপীড়নমূলক বিভ্রান্তি হল সবচেয়ে সাধারণ ধরণের বিভ্রান্তি। এই ধরণের বিভ্রান্তি একজন ব্যক্তিকে বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যে কেউ বা কিছু "তাদের পেতে বেরিয়েছে"। এর মধ্যে অন্য কোনও ব্যক্তি, একটি যন্ত্র, অথবা একটি সম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
ভ্রম ও বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্য?
ভ্রমের মূল বৈশিষ্ট্য হলো ব্যক্তি কতটা পরিমাণে নিশ্চিত যে বিশ্বাসটি সত্য । ভ্রমে আক্রান্ত ব্যক্তি তার বিপরীত প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসকে ধরে রাখবেন।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন